খালি পেটে সাত দিন খান ‘রসুন’ আর ‘মধু’, এইসব রোগ দূরে থাকতে বাধ্য হবে!
মধুর মিষ্টি স্বাদ, আর রসুনের ঝাঁঝালো। মধু ব্যবহার করা হয় যে কোনও খাবারের মিষ্টতা বাড়াতে। এদিকে রসুনের ব্যবহার মূলত মশলা হিসেবে। এদের গুণের কথা বেশি না হোক, অন্তত কিছু তো জানেন। কিন্তু এটা জনেন কি এই দুই উপাদান একসঙ্গে খেলে একাধিক রোগ দূরে থাকতে বাধ্য হয়। কী কী উপকার মেলে জেনে নিন।
স্টাইলিশ হেয়ার ড্রায়ার ব্রাশ দিয়ে চুলে আনুন পরিবর্তন এবার আরও সহজে
রসুন এবং মধুর গুণ সম্পর্কে কম বেশি আমরা সকলেই জানি। বিশেষজ্ঞদারে মতে, রসুনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান শরীরকে রোগ মুক্ত রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। সেই সঙ্গে রসুনে উপস্থিত অ্যালিসিন নামক উপাদান কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং রক্তজমাট বাঁধতে সাহায্য করে।
তাই তো আপনার যদি কাঁচা রসুন খাওয়ার অভ্যাস থাকে, তাহলে আপনি যে অন্যদের থেকে অনেক বেশি সুস্থ, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। তাই তো শুধু খাবারের স্বাদ বাড়াতেই নয়, ঔষধি গুণের কারণেও রসুনের কদর রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কাঁচা রসুন খাওয়ার অভ্যাস করলে এড়ানো যায় রোগভোগ। তবে রসুনের সঙ্গে যদি মধু মিশিয়ে খাওয়া যায়, তাহলে মেলে আরও অনেক সুফল। জেনে সে সম্পর্কে…
পেটের যে কোনও সমস্যা কমাতে ‘মহৌষধি’
পেটের যে কোনও সমস্যা কমাতে ‘মহৌষধি’
ডায়ারিয়া এবং পেটের সমস্যা দূর করতে রসুন আর মধুর মিশ্রণের কোনও বিকল্প নেই। এখানেই শেষ নয়, রসুনে উপস্থিত অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান যে কোনও ধরনের ইনফেকশন দূর করতে সাহায্য করে। শরীরের বিভিন্ন অংশের ফাঙ্গাল ইনফেকশনের প্রকোপ কমাতেও রসুন আর মধু খেতে পারেন। উপকার মিলবে হাতেনাতে। রসুন আর মধুর মিশ্রণ নিয়মিত খেলে ধমনীতে জমে থাকা ফ্যাট ঝরে যায়। সেই সঙ্গে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতারও উন্নতি ঘটে। ঠান্ডা লেগে গলায় ব্যথা? রসুন আর মধু সহযোগে তৈরি মিশ্রণ খান, উপকার পাবেন।
রসুনের ২-৩টি কোয়া কুঁচিয়ে নিন। এর সঙ্গে এক টেবিল চামচ মধু মেশান। প্রতিদিন এই মিশ্রণ খান। দেখবেন, ক্লান্তি দূর হবে। সেই সঙ্গে শরীরও ফিট থাকবে।
ফ্লুর ‘টনিক’
অর্ধেক পেঁয়াজ কুঁচি, ৫ কোয়া রসুন কুঁচি, ২টি শুকনো লঙ্কা কুঁচি, ১ টেবিলচামচ আদা কুঁচি, একটি গোটা পাতিলেবুর রস এবং অ্যাপল সিডার ভিনিগারের প্রয়োজন পড়বে এই টনিক বানাতে।
প্রথমে একটি পাত্রে পেঁয়াজ, রসুন, আদা এবং শুকনো লঙ্কা কুঁচি মিশিয়ে নিন। আলাদা পাত্রে লেবু চিপে রস তৈরি করে রাখুন। এবার কুচোনো উপকরণের সঙ্গে লেবুর রস মেশান। সব শেষে পরিমাণ মতো ভিনিগার মিশিয়ে অন্তত ১ সেন্টিমিটার ফাঁক রেখে পাত্রটি ঢেকে রাখুন। সর্দি-কাশি, গলা ব্যথা এবং ফ্লুর প্রকোপ কমাতে নিয়মিত খান এই টনি
ওজন বেশি থাকলে রোগেভোগের আশঙ্কা বাড়ে। তাই ওজন কমানোটাই দস্তুর। মেদ ঝরাতে চাইলে হাঁটতে পারেন। তখন কী ভাবে, কতক্ষণ হাঁটবেন? রইল সহজ টিপস।
স্টাইলিশ হেয়ার ড্রায়ার ব্রাশ দিয়ে চুলে আনুন পরিবর্তন এবার আরও সহজে
ওজন বেশি থাকা বা ওবেসিটি বহু অসুখের কারণ। আরও নির্দিষ্ট করে বললে, ওজন বেশি থাকার সমস্যাকেই এখন রোগ হিসাবে গণ্য করা হয়। তাই ওজন কমাতে হবে দ্রুত গতিতে। তবে খুব কঠিন কোনও ব্যায়াম নয়, বরং হেঁটেই কমাতে পারেন ওজন।
ওজন বেশি থাকার অর্থ হল, সারা শরীরে অত্যধিক মেদ রয়েছে। আর মেদের বহর বাড়লেই একাধিক অসুখ পিছু নেয়। আসলে অতিরিক্ত ফ্যাট মেটাবলিজমের হারের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এই কারণেই মূলত বিপাকীয় নানা অসুখ ধাওয়া করে।
বিশেষজ্ঞদের কথায়, ওজন বেশি থাকা ব্যক্তিদের ডায়াবিটিস, হাই প্রেশার, কোলেস্টেরল, হার্টের অসুখ, স্ট্রোক ইত্যাদির আশঙ্কা থাকে কয়েকগুণ বেশি। এছাড়া নির্দিষ্ট কিছু ধরনের ক্যানসারও হওয়ার আশঙ্কা এনাদের রয়েছে। তাই চিকিৎসকরা বিএমআই মাপার কথা বলেন। বিএমআই রাখতে হবে ১৮ থেকে ২৫-এর মধ্যে।
এখন প্রশ্ন হল ওজন কমাবেন কী ভাবে? এই কার্যসিদ্ধির অনেকগুলি পথ রয়েছে। তবে সবথেকে সহজতম পথ হল হাঁটা। এক্ষেত্রে দিনে কিছুটা সময় হাঁটলেই ওজন কমবে।
ব্রিস্ক ওয়াকেই মেদ ঝরবে
হাঁটা বলতে আমরা যা বুঝি, সেই হেলেদুলে চলায় তেমন লাভ হয় না। বরং ওজন কমাতে হাঁটতে হয় কিছুটা জোরে। এক্ষেত্রে শ্বাস ফোলে, ঘাম ঝরে। এই উপায়ে হাঁটলেই লাভ মিলবে। হাঁটার এই নির্দিষ্ট ধরনকে বলে ব্রিস্ক ওয়াকিং। এনএইচএস.ইউকে জানাচ্ছে, ঘণ্টায় ৩ মাইলের থেকে জোরে হাঁটলে তবেই বলা যায় ব্রিস্ক ওয়াক। ব্রিসক ওয়াক করার সময় আপনি কথা বলতে পারবেন।
উঁচু রাস্তায় হাঁটতে পারেন
মেডিক্যাল নিউজ টুডে জানাচ্ছে, দ্রুত ওজন ঝরাতে চাইলে একটু উঁচু রাস্তায় হাঁটতে পারেন। এতে দ্রুত ক্যালোরি ঝরবে। এক্ষেত্রে সিঁড়ি চড়তে পারেন বা কোনও ব্রিজে উঠতে পারেন। দেখা গিয়েছে, এমন কৌশল মেনে চললে ওজন কমার হার বৃদ্ধি পায়। তবে হাঁটুতে ব্যথা থাকলে সিঁড়ি ওঠানামা করার প্রয়োজন নেই। এতে হাঁটুর ক্ষয় হয়। বরং খাড়া রাস্তায় চলার চেষ্টা করুন। আশা করছি সমস্যা হবে।
হাঁটতে হাঁটতে রেজিস্টেন্স ট্রেনিং
হাঁটলেই ওজন কমে। তবে ওজন খুব বেশি হলে শুধু হেঁটে তা কমাতে অনেকটা সময় লেগে যায়। সেক্ষেত্রে হাঁটার পাশাপাশি রেজিস্টেন্স ট্রেনিং করতে পারেন। ধরুন সকালে হাঁটতে বেরলেন। তারপর হাঁটার মাঝেই পার্কের কোথাও একটু দাঁড়িয়ে রেজিস্টেন্স ট্রনিং করুন। এক্ষেত্রে ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ অনায়াসে করতে পারেন। চেষ্টা করুন স্কোয়াট, পুশআপ, ট্রাইসেপ ডিপস, বার পিজ, লাউঞ্জ করার। এইসব ব্যায়ামেই ওজন কমে, পেশির শক্তিও বৃদ্ধি পায়।
দিনে মাত্র ৩০ মিনিট
ওজন কমাতে চাইলে দিনে মাত্র ৩০ মিনিট হাঁটলেই চলে। সেক্ষেত্রে একবারে সময় বের করতে না পারলেও চলবে। সকালে ১৫, বিকেলে ১৫ এভাবে হাঁটতেও পারেন। এই উপায়ে সপ্তাহে ৭ দিন হাঁটলেই উকরা মিলবে। তবে সপ্তাহে ৫ দিনের কম হাঁটা যাবে না। চিকিৎসাবিজ্ঞান জানাচ্ছে, সপ্তাহে ১৫০ মিনিট হাঁটা হল মাস্ট। এই সময়টুকু চলতে পারলেই মিলবে উপকার। তাই দুশ্চিন্তা করবেন না।
ডায়েটে নজর দিন
শুধু হেঁটে লাভ হবে না। বরং আপনাকে ডায়েটে মন দিতে হবে। খাওয়া যাবে না ঘি, তেল, মাখন, বাইরের ফাস্ট ফুড ইত্যাদি। খেতে পারেন ঘরে তৈরি করা খাবার। পাতে থাকুক শাক, সবজি, ফল। এই খাবারে থাকা ফাইবার শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এমনকী ওজনও কমায়। তাই হাঁটার পাশাপাশি ডায়েটে বদল আনুন।
Disclaimer: প্রতিবেদনটি সচেতনতার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
আরও পড়ুন: এই ৪ সহজ ব্যায়ামে ওষুধ ছাড়াই কমে খারাপ কোলেস্টেরল! রোজ মাত্র ৩০ মিনিটেই মিলবে ফল
আরও পড়ুন: প্রস্রাবের রং ধূসর হলেই সোজা যান চিকিৎসকের কাছে! কী কী কারণে থাকতে পারে পিছনে? জানুন
এই বিষয়ে আরও জানুন
বাঙালির এই ‘সিগনেচার’ মাছের ডিশে জমিয়ে তুলুন লক্ষ্মীবারের ভোজ!
Benefits of Eating Chia Seeds: শরীর-স্বাস্থ্যকে চাঙ্গা রাখতে চান? খেয়ে দেখুন চিয়া সিড, ৩০ দিনে ফল পাবেন
বহু সমস্যাকে কাছে ঘেঁষতে দেয় না উপকারী ওটস, রোজ খেলেই মিলবে নানা উপকার
Kitchen Hacks: তাড়াহুড়োতে সিদ্ধ ডিমের খোসা ছাড়াতে গিয়ে একেবারে দফারফা? এই টিপস মানলে আর হবে না!
Chicken Rezala: একবার খেলে বারবার আঙুল চাটবেন, সপ্তাহান্তে পাতে পড়ুক ‘চিকেন রেজালা’
টিভি ও সাউন্ড সিস্টেমের উপর 35% পর্যন্ত ছাড়, আজই আসুন
পরের খবর
Homeopathy-তেও রয়েছে ইনফ্লুয়েঞ্জার চিকিৎসা, জানেন কি কোন ওষুধ খেতে হবে? পথ দেখালেন চিকিৎসক
Homeopathy-তেও রয়েছে ইনফ্লুয়েঞ্জার চিকিৎসা, জানেন কি কোন ওষুধ খেতে হবে? পথ দেখালেন চিকিৎসক
হেঁশেলে থাকা এইসব ‘মশলা’ এবং পাতার গুণেই দাঁতের হলদেটে ছোপ দূর হবে, মুক্তি মিলবে ক্যাভিটি থেকেও
হেঁশেলে থাকা এইসব ‘মশলা’ এবং পাতার গুণেই দাঁতের হলদেটে ছোপ দূর হবে, মুক্তি মিলবে ক্যাভিটি থেকেও
Stress Management: নানা দুশ্চিন্তার জেরে কি হাসতে ভুলে গেছেন? এই ৫ টেকনিকেই মনে শান্তি ফিরবে, হালকা থাকবে মন
Stress Management: নানা দুশ্চিন্তার জেরে কি হাসতে ভুলে গেছেন? এই ৫ টেকনিকেই মনে শান্তি ফিরবে, হালকা থাকবে মন
মন্তব্য করুন
ইনফ্লুয়েঞ্জা আক্রান্ত বাড়ছে। ঘরে ঘরে জ্বর, সর্দি, কাশি। এই সমস্যা সমাধানে কিন্তু ধন্বন্তরির মতো কাজ করে হোমিওপ্যাথি ওষুধ। তাই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মতো হোমিওপ্যাথি ওষুধ খাওয়া শুরু করে দিন।
স্টাইলিশ হেয়ার ড্রায়ার ব্রাশ দিয়ে চুলে আনুন পরিবর্তন এবার আরও সহজে
হু হু করে বৃদ্ধি পাচ্ছে ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। নিজের আশপাশে তাকালেই দেখবেন অনেকেই কাশছেন, হাঁচি দিচ্ছেন, নাক মুছছেন… এই সময়ে একটু বেচাল হলেই কিন্তু রোগ ধরে ফেলবে। তাই সচেতন হন। আর একান্তই যদি রোগের খপ্পরে পড়েন, তখন হোমিওপ্যাথিতে বিশ্বাস রাখতে পারেন।
সারা ভারতেই এখন প্রধান মাথা ব্য়থার কারণ ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস। এই ভাইরাস অত্যন্ত দ্রুত সংক্রামিত হচ্ছে। এক্ষেত্রে ইনফ্লুয়েঞ্জা এ এইচ৩এন২ স্ট্রেইন সমস্যা তৈরি করছে। এখন কলকাতা সহ গোটা রাজ্যেই এই ভাইরাস ঝামেলা পাকাচ্ছে।
এই প্রসঙ্গে কলকাতার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হোমিওপ্যাথির প্রাক্তন প্রধান এবং সেন্ট্রাল কমিশন ফর হোমিওপ্যাথির বর্তমান সদস্য ডা: গৌতম আশ জানালেন, আবহাওয়া দ্রুত বদলে যাচ্ছে। আর সেই কারণে বাড়ছে এই ধরনের ভাইরাসের প্রকোপ। অনেকেই আক্রান্ত। প্রতিদিনই এমন রোগী দেখতে হচ্ছে।
তাঁর কথায়, মানুষের মধ্যে সতর্কতা একদম কমে যাওয়ার কারণেই রোগভোগ বেড়েছে। রোগ আটকাতে ফের কোভিডের মতো সচেতনতা জরুরি।
কী কী লক্ষণ?
ডা: গৌতম আশ জানালেন, এই ভাইরাসে আক্রান্তের শরীরে এই লক্ষণগুলি দেখা যায়-
১. জ্বর
২. সর্দি
৩. কাশি
৪. নাক দিয়ে জল গড়ানো
৫. নাক বন্ধ
৬. হাঁচি
৭. কাশির সঙ্গে কফ ওঠা
৮. দুর্বলতা
৯. গায়ে, হাত, পায়ে যন্ত্রণা ইত্যাদি।
কাশি থাকছে অনেকদিন
কাশি থাকছে অনেকদিন
সাধারণ ইনফ্লুয়েঞ্জা কিন্তু ৫ থেকে ৭ দিনের ভিতর সেরে যায়। তবে এবার এই ভাইরাস অন্য খেলা দেখাচ্ছে। সেক্ষেত্রে কাশি চলতেই থাকছে। এমনকী কাশির সমস্যা কারও কারও ক্ষেত্রে ১ মাস পর্যন্ত রয়ে যাচ্ছে। একবার শুরু হলে দমকা কাশি থামতেই চাইছে না। বিশেষত, রাতের দিকে সমস্যা বাড়ছে। কখনও কখনও কফ উঠছে কাশির সঙ্গে, এমনটাই জানালেন ডা: আশ।
ফুসফুসেও পৌঁছে যেতে পারে অসুখ
ফুসফুসেও পৌঁছে যেতে পারে অসুখ
ডা: আশের কথায়, এই অসুখ প্রথম দিকে আপার রেসপিরেটরি ট্র্যাক্ট ইনফেকনশ তৈরি করছে। তাই বেশিরভাগেরই হাঁচি, কাশি, জ্বর হচ্ছে। তবে ২ বছরের নীচে এবং ৬৫ বছরের উপরের বয়সিদের ক্ষেত্রে এই রোগ বাড়াবাড়ি পর্যায়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে ফুসফুসে সংক্রমণ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দেখা যায়। তখন রোগীর শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কমে যায়। এই পরিস্থিতিতে আক্রান্তের হাসপাতালে চিকিৎসা করা দরকার।
ইনফ্লুয়েঞ্জার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা
ইনফ্লুয়েঞ্জার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা
ডা: আশের কথায়, এই রোগের চিকিৎসায় ব্রায়োনিয়া, রাসটক্স, আর্সেনিকের মতো ওষুধ খুবই কার্যকরী। তবে এই ওষুধের শক্তি কী হবে, তা ঠিক করবেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। মনে রাখবেন, হোমিওপ্যাথিতে সব অসুখের একই ওষুধ দেওয়া হয় না। বরং রোগীর প্রকৃতি দেখে ওষুধ নির্বাচন করা হয়ে থাকে। তাই নিজের বুদ্ধিতে ওষুধ কিনে খাওয়া শুরু করলেই যে রোগ থেকে সেরে উঠবেন, এমন নয়। বরং বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়ার পরই ওষুধ খান।
কাশি থাকলে কী ওষুধ?
কাশি থাকলে কী ওষুধ?
আগেই বলেছি, অনেকের কাশি বেশ কিছুদিন রয়ে যাচ্ছে। এই সমস্যায় হোমিওপ্যাথি ওষুধ কিন্তু দারুণ কার্যকরী। ডা: আশের কথায়, এমন কাশি কমাতে জাস্টিশিয়া অ্যাডাটোডা মাদার টিংচার, মেথাইটা, ড্রসেরা, স্পঞ্জিয়া, অ্যান্টিমটার্ট-এর মতো ওষুধগুলি দারুণ কাজ করে। তাই জ্বর কমে যাওয়ার পরও কিছুদিন কাশি রয়ে গেলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মতো ওষুধ খান। আশা করছি সুস্থ হয়ে উঠবেন।
Disclaimer: প্রতিবেদনটি সচেতনতার উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
আরও পড়ুন: একইসঙ্গে কি খাওয়া যায় অ্যালোপ্যাথি এবং হোমিওপ্যাথি ওষুধ? জেনে নিন চিকিৎসকের মতামত
আরও পড়ুন: একবার ক্রনিক কিডনি ডিজিজে আক্রান্ত হলে গোটা জীবন ভুগতে হয়, এই ৫ সহজ উপায়ে রোগ থেকে বাঁচুন

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন